

500k+ Learners
Concept - Driven
Exam - Focused
ধাপে ধাপে, টপিকভিত্তিকভাবে মূল বই ও সিলেবাস ধরে পড়ানো হয়। শুধু পড়ানো নয়—প্রতিটি কনসেপ্ট **কেন হয়, কীভাবে কাজ করে, কোথায় ভুল হয়** তা ভেঙে বোঝানো হয়। ফলে ক্লাসেই বিষয়টা “ক্লিক” করে যায়, মুখস্থের বদলে বোঝার অভ্যাস তৈরি হয়, আর পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাস আসে।
বোর্ড, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল—আলাদা করে দেখা হয় না। একটি শক্ত, পরীক্ষাভিত্তিক সিস্টেমে পুরো HSC ও অ্যাডমিশন প্রস্তুতি করানো হয়। নিয়মিত টেস্ট, স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন আর ডেটাভিত্তিক বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় কোথায় কতটা প্রস্তুতি দরকার।
শুধু ক্লাস নেওয়াই নয়—নিয়মিত মূল্যায়ন, মেগা এক্সাম ও পারফরম্যান্স অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে প্রস্তুতি ট্র্যাক করা হয়। পড়াশোনায় আটকে গেলে ডেডিকেটেড ডাউট সলভিং সাপোর্ট দেওয়া হয়, যেন পরীক্ষার আগে নিজেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত মনে হয়।
ধাপে ধাপে, টপিকভিত্তিকভাবে মূল বই ও সিলেবাস ধরে পড়ানো হয়। শুধু পড়ানো নয়—প্রতিটি কনসেপ্ট **কেন হয়, কীভাবে কাজ করে, কোথায় ভুল হয়** তা ভেঙে বোঝানো হয়। ফলে ক্লাসেই বিষয়টা “ক্লিক” করে যায়, মুখস্থের বদলে বোঝার অভ্যাস তৈরি হয়, আর পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাস আসে।
বোর্ড, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল—আলাদা করে দেখা হয় না। একটি শক্ত, পরীক্ষাভিত্তিক সিস্টেমে পুরো HSC ও অ্যাডমিশন প্রস্তুতি করানো হয়। নিয়মিত টেস্ট, স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন আর ডেটাভিত্তিক বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় কোথায় কতটা প্রস্তুতি দরকার।
শুধু ক্লাস নেওয়াই নয়—নিয়মিত মূল্যায়ন, মেগা এক্সাম ও পারফরম্যান্স অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে প্রস্তুতি ট্র্যাক করা হয়। পড়াশোনায় আটকে গেলে ডেডিকেটেড ডাউট সলভিং সাপোর্ট দেওয়া হয়, যেন পরীক্ষার আগে নিজেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত মনে হয়।
Author: Istiak Ahmed
January 10, 2026
কেমিস্ট্রি চলে নিউটনের নিয়ম ভেঙে স্কুলে ঢুকেই আমরা যে প্রথম “কঠিন” জিনিসটা শিখি, সেটা নিউটনের সূত্র। বল কী, গতি কী, ত্বরণ মানে কী, সবকিছুর হিসাব সেখানে খুব পরিষ্কার। তখন মনে হয়, এই নিয়মই বুঝি প্রকৃতির শেষ কথা। কিন্তু এখানেই একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন আসে, যদি নিউটনের নিয়মই সবকিছু চালায়, তাহলে কেমিস্ট্রি দরকার কেন? উত্তরটা একটু ভয়ংকর। নিউটনের নিয়ম যদি সত্যিই পরমাণুর ভেতরে ঠিকভাবে কাজ করত, তাহলে আজ এই পৃথিবীতে কিছুই থাকত না। নিউটনের চোখে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘোরে।ঘোরে মানেই ত্বরণ আছে। আর ত্বরণ মানেই শক্তি ক্ষয়। শক্তি হারাতে হারাতে ইলেকট্রন শেষ পর্যন্ত নিউক্লিয়াসে পড়ে যাওয়ার কথা। তার মানে কী? -কোনো পরমাণু টিকত না -কোনো molecule থাকত না -কোনো মানুষ না -কোনো পৃথিবীও না সবকিছু ধসে পড়ত। কিন্তু বাস্তবে কী হচ্ছে? ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসে পড়ে না। পরমাণু ভেঙে পড়ে না। পদার্থ টিকে আছে। কেন? কারণ এখানে নিউটনের নিয়ম কাজ করে না। নিউটনের সূত্র খুব সুন্দরভাবে কাজ করে বড় জিনিসের জন্য। বল, গাড়ি, গ্রহ,নক্ষত্র। কিন্তু ইলেকট্রনের জগতে ঢুকলেই খেলার নিয়ম বদলে যায়। পরমাণুর ভেতরে ইলেকট্রন কোনো নির্দিষ্ট পথে ঘোরে না। তার “এখানেই আছে” বলে কোনো স্থির ঠিকানা নেই। সে থাকে সম্ভাবনার মধ্যে। এই কোয়ান্টাম নিয়মই পরমাণুকে স্থিতিশীল করেছে। এই নিয়মই chemical bond গড়তে দিয়েছে। এই নিয়ম ছাড়া কেমিস্ট্রির অস্তিত্বই সম্ভব না।। আমরা একটা বড় ভুল ধারণা নিয়ে বড় হই, নিয়ম ভাঙা মানেই বিশৃঙ্খলা। কিন্তু প্রকৃতি এখানে উল্টো কথা বলে। নিউটনের নিয়ম ভাঙার কারণেই স্থিতিশীলতা এসেছে। নিউটন এখানে কাজ না করার কারণেই পদার্থ টিকে আছে। কেমিস্ট্রি কোনো জোর করে চাপানো নিয়ম না। কেমিস্ট্রি হলো কোনটা অনুমোদিত, আর কোনটা নিষিদ্ধ, তার সূক্ষ্ম হিসাব। এই অনুমতির উপরেই পরমাণু দাঁড়িয়ে। এই অনুমতির উপরেই জীবন দাঁড়িয়ে। কেমিস্ট্রি চলে নিউটনের নিয়ম না মেনে। আর সেটাই প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দর সিদ্ধান্ত।
Read More








দাদা, এত সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আগে যে গ্যাপটা ছিল, এখন সেটা একদম পরিষ্কার হয়ে গেছে। থ্যাংক ইউ, বস।

আমি এইচএসসি ২০২৭ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী, স্যার। আপনার পড়া বোঝানোর ধরন এত সুন্দর যে ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। স্যার, সাইকেল–২ আমি অবশ্যই আপনারটাই কিনব।

ধন্যবাদ দাদা। আপনি কেমিস্ট্রি এত সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেন যে আপনার জন্যই বিষয়টা পড়তে ভালো লাগে।

দাদা, আমি এইচএসসি ২০২৭ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী। কিছুদিন পরই আমার হাফ-ইয়ারলি পরীক্ষা শুরু হবে। আগে যাঁর কাছে পড়তাম, তাঁর কাছে বিষয়গুলো ঠিকমতো বুঝতে পারতাম না, আর সে কারণে খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। কিন্তু আপনার ক্লাস করার পর আবার নতুন করে এনার্জি আর আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি।

দাদা, আমি ইংলিশ ভার্সনের একজন শিক্ষার্থী। আপনার ক্লাস সত্যিই অসাধারণ। আপনি যেভাবে পড়ান, সেটা মুগ্ধ করে দেয়।

কেমিস্ট্রি বুঝানোর জন্য সঞ্জয় দাদাই আমাদের জন্য সেরা। এই মুহূর্তে ফার্স্ট পেপারের ক্লাসগুলো আমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এত সুন্দরভাবে পড়ানোর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, দাদা। 🙏

দাদা, আপনি শুধু আমাদের শিক্ষক বা দাদা নন—আপনি আমাদের বড় ভাইয়ের মতো। আমাদের অবস্থাটা বুঝে আপনি পেইড কনটেন্ট ফ্রি করে দিয়েছেন এবং পাশাপাশি নিয়মিত এক্সামও নিচ্ছেন। সত্যি বলতে, এটা আমাদের জন্য ভীষণ উপকারী হয়েছে। আপনার জন্য এবং আপনার পরিবারের জন্য মন থেকে সবসময় দোয়া থাকবে।

আমি এইচএসসি ২০২৭ ব্যাচের একজন শিক্ষার্থী এবং শুরু থেকেই আপনার কনটেন্ট নিয়মিত অনুসরণ করছি। আপনি যেভাবে প্রতিটি বিষয় ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সহজভাবে ব্যাখ্যা করেন, তা সত্যিই অসাধারণ। আপনি সত্যিই একজন রত্ন, স্যার। এছাড়া কিছু টপিকে ইংরেজি টার্ম ব্যবহার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ—এতে বিষয়গুলো বুঝতে আমাদের অনেক বেশি সুবিধা হয়।

Author: Touhid Noman
January 5, 2026
১৯৯৫ সাল। কেমিস্ট্রির নোবেল পুরস্কার দেওয়া হলো—শুধু একটা বিক্রিয়ার জন্য! হ্যাঁ, ঠিক শুনছো। ওজোন গ্যাস আর ক্লোরিনের বিক্রিয়া।। বিক্রিয়াটি তুমি পড়েছোও। এটা দেখে অনেকে ভাবতেই পারে—“আরে, এইটুকুর জন্য আবার নোবেল নাকি?” কিন্তু গল্পটা মোটেও এত সোজা না। তখনকার দিনে কম্পিউটার মানে আজকের AI বা simulation software না—সেই সময়ে উপরের স্তরের বায়ুমণ্ডলে (stratosphere) কী হচ্ছে সেটা বোঝা তো দূরের কথা, ওখানে ক্লোরিন কেমন করে ওজোন ধ্বংস করে, সেটা কল্পনাই ছিল দুরূহ। Paul Crutzen, Mario Molina, আর Frank Sherwood Rowland—এই তিনজন বিজ্ঞানী মাথার খাঁটনি দিয়ে (সরাসরি বললে, পেন-কাগজ নিয়ে বসে) দেখালেন যে CFC (chlorofluorocarbon) থেকে বের হওয়া ক্লোরিন radical কীভাবে একটা একটা করে ওজোন অণুকে ভেঙে ফেলছে। শুধু ভাঙেই না—একটা ক্লোরিন অণু হাজার হাজার ওজোন ধ্বংস করতে পারে, একটা চেইন রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে। এটাকে অনেকেই বলেছে একটা global environmental warning। তখনো কেউ জানতো না spray can বা ফ্রিজের ভেতর থাকা গ্যাস একদিন আকাশের রং বদলে দেবে। কিন্তু এই তিনজন সেই অদৃশ্য বিপদের গন্ধ পেয়েছিলেন। গবেষণা করলেন, মানুষকে সচেতন করলেন, এবং পৃথিবীকে একটা বড় বিপদ থেকে রক্ষা করলেন। ওই একটা বিক্রিয়া আবিষ্কারের জন্যই আজকে আমরা জানি যে ওজোন লেয়ার রক্ষা কতটা জরুরি। এবং সরকারিভাবে CFC নিষিদ্ধ করার পেছনে এই গবেষণাই ছিল সবচেয়ে বড় কারণ। একটা ছোট chemical mechanism, একটা ছোট radical, আর একটা গভীর বোঝাপড়া—এই তিন মিলে রক্ষা পেয়েছে একটা আস্ত গ্রহের পরিবেশ।
Read More